বাংলাদেশ
গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি কমছে
০৬ জুলাই ২০২৪
গাইবান্ধায় কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি। ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি এখনো নদীর পানি রয়েছে বিপৎসীমার ওপরে। ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে ৮৩ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ৩২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এখনো ডুবে আছে বন্যা দুর্গত এলাকার রাস্তাাঘাট। পানি বন্দি হয়েছে আছে ৬৭৭২৯ হাজার পরিবার। বিদ্যালয়ে পানি উঠায় চার উপজেলায় সাময়িক বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে ৮০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
গাইবান্ধা পাউবোর নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলার ব্রহ্মপুত্র নদ, করতোয়া ও ঘাঘট নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে এখনো পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ব্রহ্মপুত্র নদ ও ঘাঘট নদীর। গত ২৪ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্রে নদের পানি ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখঘাট পয়েন্টে ৬ সেন্টিমিটার, ঘাঘট নদীর পানি জেলা শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে ৬ সেন্টিমিটার, করতোয়ার পানি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার চকরহিমাপুর পয়েন্টে ৮ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফুলছড়ি উপজেলার রতনপুর এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি দক্ষিণ দিকে স্রোত বইছে। স্রোতে কচুরিপানা ভেসে যাচ্ছে। নদীর পানি সামান্য কমলেও অনেক এলাকা জলমগ্ন হয়েছে। বাড়ি ঘরে পানি উঠায় বাধ্য হয়ে নদী তীরবর্তী মানুষরা বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাচ্ছেন। শুকনো খাবার আর বিশুদ্ধ পানির চরম সংকটে রয়েছেন বানভাসিরা। পানি বন্দি হওয়ার পর পেপুলিয়ারচর, নবাবগঞ্জ, কিশামত সদর, চরিতাবাড়ি, উজানদেওয়া, মারাদিপাড়া, শাদুয়া, বাগর, বাদামের চর, লালচামারসহ প্রায় বন্যা কবলিত চরাঞ্চলে কোনো ত্রাণ পৌছেনি বলেন জানান বানভাসিরা। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুল হক বলেন, আপাতত বড় বন্যার সম্ভাবনা নেই। গাইবান্ধার প্রধান নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল জানান, জেলার চার উপজেলার ২৯ টি ইউনিয়নের ৬৭৭২৯ পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। স্থায়ী ও অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্র ১৮১টি খোলা হয়েছে। প্রশাসন কর্তৃক ৩০৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার, ১৬৫ মেট্রিক জিআর চাল ও ১০ লাখ টাকা চার উপজেলায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও এই উপজেলা গুলোতে ২০ হাজার পরিবারের মধ্যে ৫ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে। ত্রাণ বিতরণ ও উদ্ধার কার্যক্রমের জন্য নৌকা, স্পীড বোট প্রস্তুত রয়েছে। ইউনিয়ন ভিত্তিক বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় মেডিকেল টিম, কৃষি টিম, স্বেচ্ছাসেবক টিম এবং লাইভস্টোক টিম গঠন করা হয়েছে।
170
-
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি বাতিলের দ...
১ বছর আগে
-
সৈয়দপুরে বাঙ্গালীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোসলেম...
১ বছর আগে
-
ভূরুঙ্গামারীতে মাদ্রাসা সুপারের পদত্যাগের দাবীতে...
১ বছর আগে
-
নীলফামারীতে বাংলাদেশ খ্রীষ্টিয়ান এ্যাসোসিয়েশনের সম...
১ বছর আগে
-
ঘোড়াঘাটে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের মাঝে নগদ অর্থ ও বাই...
১ বছর আগে
-
আনইজীবীর উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন
১ বছর আগে
